Showing posts with label HEALTH TIPS. Show all posts
Showing posts with label HEALTH TIPS. Show all posts

Friday, February 5, 2016

জিকা ভাইরাস কি ?


অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত শুধু ব্রাজিলে ৪০ হাজারের বেশি শিশু ‘ছোট মাথা’ নিয়ে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর দক্ষিণ আমেরিকায় ভয়াবহ আতঙ্ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ‘জিকা ভাইরাস’। গত বছর ব্রাজিলে নতুন করে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মেলার পর মাত্র চার মাসের মধ্যে বার্বাডোজ, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ডমিনিকান রিপাবলিক, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ফ্রেঞ্চ গিনি, গুয়াতেমালা, গুয়াদেলোপ, গায়ানা, হাইতি, হন্ডুরাস, মেক্সিকো, পানামা, প্যারাগুয়ে, পুয়ের্তো রিকো, সুরিনাম ও ভেনিজুয়েলাসহ দক্ষিণ ও উত্তর আমেরিকার ২৪টি দেশ ও অঞ্চলে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে দ্য প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন। সম্প্রতি যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও জিকা ভাইরাস প্রবেশ করেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ।
সর্বশেষ ভারতের পশ্চিমাঞ্চল বিশেষত দেশটির কর্নাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু ও পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় শহরগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বেঙ্গালুরুর চিকিৎসকরা বলছেন, এখান থেকে অনেক মানুষ দক্ষিণ আমেরিকা ভ্রমণ করছেন। আর দক্ষিণ আমেরিকায় ইতোমধ্যেই ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে জিকা ভাইরাস। সে কারণে বেঙ্গালুরুসহ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় শহর ঝুঁকিপূর্ণ। বেঙ্গালুরু থেকে বাংলাদেশের দূরত্ব খুব বেশি নয়। কিন্তু জিকা ভাইরাসের প্রতিকার বা প্রতিরোধের বিষয়ে তেমন উল্লেখযোগ্য তেমন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, জিকা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই।
এর আগেও ইবোলা ভাইরাসের আক্রমন দেখা দেয়ার সময় বাংলাদেশে যথাযথ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল। এবারো নেয়া হয়েছে। তাই এ ভাইরাস সম্পর্কে আতংকিত হবার কিছুই নেই। এ ব্যাপারে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান বলেন, এই ইস্যুতে এখনো পর্যন্ত তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তবে আগামীকাল মিটিং আছে। সেখানে কিছু সুপারিশ আসতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা কর্মরত। তাদের কারো মাধ্যমে যদি এ ভাইরাস দেশে ঢুকে পড়ে? এর জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কালকের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। নবজাতকদের উপর আমাদের নজর রাখতে হবে। তবে আপাতত: আমাদের মশা থেকে দূরে থাকতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। জিকা ভাইরাসের বাহক এডিস এজিপ্টি মশা।
এছাড়া যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে এ ভাইরাস। বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের জেলাগুলোতে এডিস মশা বিস্তার রয়েছে। এছাড়া কোনো অভিবাসীর শরীর থেকে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায়না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপ কি হওয়া উচিত? এমন প্রশ্নের জবাবে রোগতত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক চিকিৎসক ও গবেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জিকা ভাইরাস যেহেতু খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সেহেতু এ ক্ষেত্রে সজাগ হওয়া জরুরি।
বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এ ব্যাপারে দেশব্যাপী সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়ার সময় এসেছে। অভিবাসী বিশেষ করে জিকা আক্রান্ত দেশগুলো থেকে যেসব অভিবাসী দেশে ফেরত আসবেন তাদের রক্ত পরীক্ষা করা যেতে পারে। আর পাহাড়ী অঞ্চলগুলোতে মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে জোড়ালো উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।  মশাবাহিত এ রোগ মোকাবেলায় এরই মধ্যে দুই লাখ সেনা নামিয়েছে ব্রাজিল। সতর্কতায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে। কলম্বিয়া, ইকুয়েডরসহ বেশ কয়েকটি দেশে দম্পতিদের ‘গর্ভধারণ’ পেছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারিতে শঙ্কায় পড়েছে চলতি বছরের অলিম্পিকও।
পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডার অতি পরিচিত জিকা (স্থানীয় ভাষায় ‘বাড়ন্ত’) বনাঞ্চলে ১৯৪৭ সালে প্রথম এ ভাইরাসের সন্ধান মেলে। রকফেলার ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে উগান্ডা, আমেরিকা ও ইউরোপের বিজ্ঞানীরা ওই বনে তখন ‘পীত জ্বর’ নিয়ে গবেষণা করছিলেন। গবেষণার এক  পর্যায়ে দুর্ঘটনাবশত’ বানরের দেহে নতুন এক অণুজীবের খোঁজ পান বিজ্ঞানীরা, যার নাম দেওয়া হয় ওই বনেরই নামে।
সন্ধান পাওয়ার সাত বছর পর নাইজেরিয়ায় প্রথম মানবদেহে এ ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপগুলোতে। এরপর দীর্ঘ সময় পরপর দুই দফায় এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে এশিয়া ও মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে। অবশ্য কখনোই এ রোগ এবারের মতো হুমকি হয়ে আসেনি।

Wednesday, February 3, 2016

পারফিউম ব্যাবহারে সাবধান হউন। হতে পারে ক্যান্সার


পারফিউম ব্যাবহারে সাবধান হউন। হতে পারে ক্যান্সার

সুগন্ধী মাখতে আমরা সকলেই পছন্দ করি। সবারই হয়তো এক ব্র্যান্ড ভালো লাগেনা। তবে বাইরে বেরোবার আগে শরীরে একটু পারফিউম না লাগিয়ে নিলেই নয়। কিংবা একটু বডি স্প্রে! কিন্তু আপনি কি জানেন যে, আপনার এই অল্প সময়ে ফিটফাট ও কেতাদুরস্ত থাকার ফলাফল প্রচন্ড বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে আপনার ভবিষ্যতকে? সম্প্রতি বেশকিছু গবেষণায় উঠে এসেছে যে সুগন্ধী বা বডি স্প্রেগুলো অদূর ভবিষ্যতে মানুষের শরীরে তৈরি করতে পারে নানারকম চর্মরোগ থেকে শুরু করে ক্যান্সার অব্দি! কিন্তু সত্যিই কি সুগন্ধী ক্যান্সারের কারণ হতে পারে? চলুন জেনে আসি।
২০১৪ সালে ন্যাশনাল এ্যাকাডেমি অব সায়েন্স অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তে আসা হয় যে, স্টাইরিন নামের উপাদানে তৈরি যেকোন জিনিসই মানুষের শরীরের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে ( ইডব্লিইউজি )। আর এই জিনিসগুলোর ভেতরে রয়েছে এমনকিছু জিনিসের নাম যেগুলো ধোঁয়া বা গন্ধ সৃষ্টি করে। তালিকার প্রথম দিকটাতে সিগারেট থাকলেও আপনার দৈনন্দিন শরীরে ব্যবহৃত পারফিউমও কিন্তু বাদ পড়েনি। তবে গবেষকদের মতে এটাই একমাত্র ভয়ের ব্যাপার নয়। আসল ভয়টি হচ্ছে অন্য জায়গায়।
তাদের মতে, লিপ গ্লস থেকে শুরু করে, ডিটারজেন্ট, পারফিউমসহ আরো বেশকিছু দ্রব্য স্টাইরিন উত্পন্ন করে। এমনিতে হয়তো আলাদা আলাদাভাবে এরা খুব বেশি শক্তিশালী নয়। তবে একবার যদি এরা অনেকে একসাথে মিলিত হয় তাহলে ঠিক কতটা বেশি শক্তিশালী হয়ে পড়তে পারে সেটা সহজেই অনুমেয়।
এছাড়াও গবেষকদের মতে বেশিরভাগ নামী-দামী সুগন্ধীর উপাদানের তালিকাতেই থাকেনা এর ভেতরে ব্যবহৃত ক্ষতিকারক উপাদানগুলোর নাম। ফলে সেগুলো সম্পর্কে অনঅবগতই থেকে যায় ব্যবহারকারীরা। এতে করে খুব অল্প পরিমাণে হলেও ধীরে ধীরে শুক্রাণু নষ্ট হওয়া, হরমোনের সমস্যা হওয়া থেকে শুরু হয়ে সৃষ্টি হয় ক্যান্সার নামক মারাত্মক ব্যাধিটিও ( রোডেলস অরগানিক লাইফ )!
সম্প্রতি বেশকিছু সুগন্ধীকে নিয়ে পরীক্ষা চালান গবেষকেরা। আর শেষ অব্দি দেখতে পায় যে এদের প্রত্যেকটিরই ভেতরে রয়েছে এমন কিছু উপাদান যেটার নাম কিনা উল্লেখই করা হয়নি লেবেলে! আর সুগন্ধীগুলো হল-
অ্যামেরিকান ইগল সেভেন্টি সেভেন, চ্যনেল কোকো, ব্রিটনি স্পেয়ার্স কিউরিয়াস, ওল্ড স্পাইস, কুইকসিলভার, কেলভিন ক্লেইন ইটার্নিটি, বাথ এন্ড বডি ওয়ার্কস জাপানিজ চেরী ব্লোসোম, হেলি বাই হেলি বেরী, হাননাহ মন্টানা সিক্রেট সেলিব্রেটি, ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট ড্রিম এ্যাঞ্জেলস উইশ, এক্স বডি স্প্রে, ক্লিনিক হ্যাপি পারফিউম স্প্রে, ডলচে এন্ড গাবানা লাইট ব্লু ইত্যাদি। এদের প্রত্যেকেই কিছু না কিছু ক্ষতিকারক উপাদানকে লুকিয়েছে ব্যবহারকারীদের চোখ থেকে। তবে এগুলোর ভেতরে আপনার সুগন্ধিটি নেই তারমানে এই নয় যে সেটি পুরোপুরি ভালো। কে জানে, সেটির ব্যবহারও দীর্ঘদিন পর আপনাকে করে দিতে পারে ক্যান্সারের মুখোমুখি।
এতকিছুতেও যদি আপনার বিশ্বাস না হয় তাহলে বহুল গবেষণা আর পরিসংখ্যানের পর ২০০৯ সালে প্রকাশিত টক্সিক বিউটি বুকের তথ্যটিই পড়ে দেখুন। সেখানে সুগন্ধীর নানারকম ক্ষতিকারক দিককে তুলে ধরা হয়। আর সেক্ষেত্রে সুগন্ধীর দুটি উপাদান ক্যান্সার তৈরিতে সাহায্য করে বলে জানানো হয় ( হাফিংটন পোস্ট )।
কি ভাবছেন? তাহলে কি আর সুগন্ধি ব্যবহারই করা যাবেনা? অবশ্যই করবেন। তবে ব্যবহারের আগে সুগন্ধীর প্রকৃতি আর লেবেলের দিকে ভালোমতন নজর দিয়ে তবেই সেটা ব্যবহার করুন।

!

নখের কোণা উঠা সমস্যা থেকে মুক্তির সহজ উপায়!

নখের কোণায় প্রচণ্ড ব্যথা, একটু খেয়াল করতেই দেখলেন যে বেকায়দা ভাবে নখ বৃদ্ধি পেয়েছে আর ঢুকে যাচ্ছ মাংসের ভেতরে। এমন একটা স্থানে যে কেটে ফেলারও কোন উপায় নেই, কেননা তাতে মাংস কাটা পড়বে। এই সমস্যাটিকেই বাংলায় আমরা বলে থাকি “নখের কোণা ওঠা”।
জেনে নিন ব্যথা কমানো ও ইনফেকশন প্রতিরোধ করার সহজ উপায় –
– হাত বা পা উষ্ণ লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। যতটা সহ্য করতে পারেন, ততটা গরম পানি নেবেন।
– কাজ শুরুর আগে মেনিকিউর সেট গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিন।
– এবার পা/হাত ভালো করে মুছে নিন। মুছে নেয়ার পর নখ কাটুন। বেড়ে ওঠা বাড়তি নখ ও তার আশেপাশে যতটা সম্ভব কেটে ফেলুন।
– এবার রয়ে যাওয়া বাড়তি নখ চিমটার সাহায্যে সামান্য উঁচু করে ধরুন এবং আরেকটি চিমটার সাহায্যে সামান্য একটু তুলো নখের নিচে গুঁজে দিন। খুব সাবধানে কাজটি করুন। এই কাজটি আপনার নখে ব্যথা হতে দেবে না।
– যতদিন নখে বড় না হচ্ছে আর আপনি কেটে যন্ত্রণাদায়ক বাড়তি কোণা বাদ দিতে না পারছেন, ততদিন পর্যন্ত এভাবেই তুলো দিয়ে রাখুন। দিনে ২/১ বার বা জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে তুলো বদলে দেবেন।
– যদি ইতিমধ্যেই ইনফেকশন হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান। এই পদ্ধতি অবলম্বন করবেন না।
– হাত/পা সর্বদা পরিষ্কার রাখুন এবং এমন হলে মোজা পরিধান করবেন না।

মাত্র ২০ টাকায় সারা বছর মশা থেকে মুক্ত থাকুন! (ভিডিও সহ)



মাত্র ২০ টাকায় সারা বছর মশা থেকে মুক্ত থাকুন!





মাত্র ২০ টাকায় সারা বছর মশা থেকে মুক্ত থাকুন!

মাত্র ২০ টাকায় সারা বছর মশা থেকে মুক্ত থাকুন! (ভিডিও সহ)

সারা বছর মশার প্রচন্ড উপদ্রব-এ আমরা প্রচুর বিরক্ত। মশা থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনার মনে হয়তোবা কয়েলের ছবি ভাসছে। কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন, এক বছরে আপনি কয়েলের পিছনে কত টাকা খরচ করেছেন? আর সব থেকে বড় কথা হলো, কয়েল মানব শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর সেটা কি আপনি জানেন?
আপনি হয়তোবা বলতে পারেন আমি কয়েল ব্যবহার করিনা। আমার আছে এ্যারোসল! সেটাতো মানব শরীরের জন্য আরো ভয়াবহ ক্ষতিকর । অথবা আপনি বলতে পারেন আমার কাছে ব্যাট আছে। কিন্তু মশার সাথে কতদিন ব্যাডমিন্টন খেলবেন? ১০টা মারবেন ১০০ মশা সামনে এসে হাজির হবে। আপনি মরে যাবেন কিন্তু আপনার মশা মারা আর শেষ হবে না!
আজকে আপনাদের শেখাব কিভাবে মাত্র ২০ টাকা খরচ করে পুরো ১ বছর মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। তবে তার আগে আপনাকে কয়েল এবং এ্যারোসলের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে হবে। তা নাহলে আপনার মাথায় ওগুলোই ঘুরপাক খাবে।

কয়েলের মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ

(১) আপনি যদি একটি মশার কয়েল টানা ৮ ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে ১৩৭টি সিগারেটের পরিমান বিষাক্ত ধোঁয়া আপনি গিলছেন।
(২) কয়েলে যে গুঁড়া দেখেন সেটা এতটাই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালীর এবং ফুসফুসের পথে গিয়ে জমা হয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে।
(৩) কয়েলের ধোঁয়া চোখের ভীষন ক্ষতি করে, দীর্ঘদিন ব্যবহারে চোখের ভয়াবহ ক্ষতিসাধন হতে পারে।
(৪) কয়েল মশাকে তাৎক্ষনিক মারে কিন্তু মানব দেহে
স্লো পয়জনিং করে, ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।

এ্যারোসলে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ

(১) এ্যারোসল হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মানব দেহের হার্ট সরাসরি এ্যারোসলের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
(২) এ্যারোসলের ক্যামিকেল চোখের ক্ষতি করে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারে চোখের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

কিভাবে বানাবেন মশার ফাঁদঃ

প্রয়োজনীয় উপকরনঃ

(১) দুই লিটারের একটি প্লাস্টিকের বোতল (সেভেনআপ/কোক/ফান্টা/আরসি কোলা যে কোন পিইটি বোতল)
(২) এক গ্লাসের তিন ভাগের দুই ভাগ (২০০ এমএল) ফুঁটানো ইষৎ গরম পানি
(৩) এক কাপের তিন ভাগের ২ ভাগ ব্রাউন সুগার (খোলা চিনি হলে ভালো তবে পরিশোধিত চিনি হলেও চলবে)
(৪) এক চামচ ইষ্ট (যে কোন সুপার শপ বা বড় মুদি দোকানে পাবেন)

প্রস্তুত প্রনালীঃ

মশা থেকে মুক্ত থাকতে হলে আপনাকে প্রস্তুত প্রানালী ধাপে ধাপে অনুসরন করতে হবে। প্রথমে প্লাষ্টিকের বোতলটি উপর থেকে ৩/৪ ইঞ্চি রেখে একটি চাকু দিয়ে কেটে ফেলুন। তারপর নিচের বড় (বোতল) অংশটিতে ব্রাউন সুগার বা খোলা চিনা বা পরিশোধিত চিনি ঢেলে দিন। নাড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই। তারপর এক কাপ ফুটানো পানি ঢালুন। তারপর একচামচের তিন ভাগের দুই ভাগ ইষ্ট ছেড়ে দিন। এবার বোতলের উপরের অংশটিকে চিৎ করে বড় বোতলের ভেতর বসিয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন বোতলের উপরের অংশের মুখের ছিপিটি যেন অবশ্যই খোলা রাখেন। কারন ওখান থেকেই মশা ভেতরে ঢুকবে। এরপর একটি টেপ দিয়ে বড় এবং ছোট অংশটির জোরা শক্ত করে লাগিয়ে দিন। ব্যস! হয়ে গেলো মশা মারার হোমমেড ফাঁদ। এবার ফাঁদটিকে ঘরের যেকোন কোনায় রেখে দিন। চলতে পারবেন পুরো এক বছর।

সর্তকতাঃ

বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। যাতে তারা ভুলে খেয়ে না ফেলে।


ভালোভাবে বুঝতে ভিডিওটি দেখুন আর হ্যা! যদি মনে করেন এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হতে পারে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না আর কেমন লেগেছে সেটা আমাদের কমেন্টস করে জানাতেও ভুলবেন না। মশা থেকে মুক্ত থাকুন

মশার ফাঁদ বানানোর প্রক্রিয়াটি ভিডিওতে দেখুনঃ