Showing posts with label SPORTS NEWS. Show all posts
Showing posts with label SPORTS NEWS. Show all posts

Wednesday, February 10, 2016

নতুন এক বোলারের তাণ্ডব, ৬ বলে ৬ উইকেট, সবাই বোল্ড আর দুই ওভারে ৮ উইকেট

1454938531



 নতুন এক বোলারের তাণ্ডব, ৬ বলে ৬ উইকেট, সবাই বোল্ড
স্পোর্টস ডেস্ক: বল হাতে দারুণ উপভোগ করছেন নতুন প্রজন্মের এই বোলার। নিজের এক ওভারে দুই-তিন জন ব্যাটসম্যানকে নয়, ছয়জনকে সাজঘরে ফিরেছেন। ক্রিকেট দুনিয়া এমন ঘটনা তো প্রায়ই দেখা যায়। কিন্তু এক ওভারে ৬ উইকেট! নিউ জিল্যান্ডের ইতিহাসে এ প্রথম বিরল ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ৮ বছর বয়সের এক শিশু।
রোববার নিউ জিল্যান্ডের একটি শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যমে এ ক্ষুদ্র বোলার লুক মার্শকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। তিনি নাকি, শুক্রবার ডুনেডিনের কাইকোরাই বনাম টাইয়েরির ম্যাচে এ কীর্তি গড়েন।
লুক মার্শ মাঠে নামেন কাইকোরাই দলের হয়ে। বল হাতে মাঠে নেমেই ৮ উইকেট সংগ্রহ করেছেন দুই ওভারে। লুক মার্শ তার প্রথম ওভারে তুলে নেন ৬ উইকেট। আর পরবর্তী ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন দুইটি উইকেট। বোলিংয়ে এই শিশুর নয়া কীর্তি দেখে ইতিমধ্যে তাঁকে নিয়ে টানাটানি শুরু করে দিয়ে ডুনেডিনের অনেক দল।

মুস্তাফিজকে অবিশ্বাস্য প্রশংসায় ভাসিয়ে যা লিখল ভারতীয় মিডিয়া

1454758122


মুস্তাফিজকে অবিশ্বাস্য প্রশংসায় ভাসিয়ে যা লিখল ভারতীয় মিডিয়া
স্পোর্টস ডেস্ক : অস্ত্র তার কাটার। সঙ্গে বাড়তি পাওনা ইয়র্কার। গত বছর টি২০ ক্রিকেটে আন্তর্জাতিক অভিষেকেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। আর আইপিএল খেলার ইস্যুতে ভারতীয় মিডিয়ায় মুস্তাফিজের প্রশংসা আর প্রশংসা।
আনন্দ বাজার পত্রিকা মুস্তাজিকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। নিজে এটি সরাসরি তুলে ধরা হলো। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে অভিষেকে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন।
প্রথম ম্যাচেই তার বলের শিকার হয়েছিলেন ধোনির দলের পাঁচ ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় ম্যাচে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ছয়ে। অভিষেকে পর পর ২ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১৩ উইকেট নিয়ে চমকে দেওয়া এই বাংলাদেশী বোলারের চমক দেখতে প্রস্তুত আইপিএল-এর দর্শকরা।
তখনই তৈরি হয়ে গিয়েছিল মঞ্চ। ভারতকে হারিয়ে অভিনন্দন পেয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি ও সুরেশ রায়নার। তিনি যে আইপিএল-এ দল পাবেন এমন আশার কথা সেই সময়ই শুনিয়েছিলেন স্বয়ং ধোনি। সত্যি হল সে কথা।
এক বছরে মাত্র ন’টি ওয়ানডে ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের এই বিস্ময় বালক ঢুকে পরেছিলেন আইসিসির বর্যসেরা একদিনের দলে। ৫০ লাখ টাকা বেস প্রাইজ থেকে তিনি শেষ পর্যন্ত বিক্রি হলেন ১ কোটি ৪০ লাখে। বেঙ্গালুরু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পর মুস্তাফিজুরকে কিনে নেয় হায়দরাবাদ সানরাইজার্স। আইপিএল-এর নিলামে বিক্রি হননি তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও সৌম্য সরকার।
নিলামে ওঠা বাংলাদেশের চার ক্রিকেটারের মধ্যে বিক্রি হয়েছেন একমাত্র মুস্তাফিজুরই। আবদুর রজ্জাক, আশরাফুল, মাশরাফি, সাকিব ও তামীমের পর আইপিএল-এ বাংলাদেশের ষষ্ঠ বাংলাদেশী তিনিই। আইপিএল সানরাইজার্স হায়দরাবাদে দল তাকে নেওয়ার খবরে উচ্ছ্বসিত মুস্তাফিজুর। বলেন, খুব ভাল লাগছে। আশা ছিল আইপিএল-এ খেলার সুযোগ পাব। সবাই বলাবলি করছিল আমাকে এবার নিতে পারে। সাকিব ভাই খুব ভাল খেলেছেন ওখানে, এটাও আমাকে বেছে নেওয়ার কারণ।
গত মরশুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে পাঁচ লাখ টাকায় আবাহনীতে খেলা মুস্তাফিজুর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেন ২২ লাখ টাকায় ঢাকা ডায়নামাইটসে। এবার আইপিএল-এ তিনি ছাপিয়ে গিয়েছেন কোটি টাকার অঙ্ককে।
মুস্তাফিজ এ নিয়ে বলেন, টাকার অঙ্ক নিয়ে কোনও কথা বলতে চাই না। কত দাম পাব তা নিয়ে ভাবিনি। আমি শুধু চেয়েছিলাম আইপিএল-এ খেলতে। এরকম বড় আসরে খেলার সুযোগ পাওয়াটাই বড় অভিজ্ঞতা। সুযোগ পেয়েছি এতেই আমি খুশি। এবার শুধু নিজের সেরাটা দিতে হবে।

বাংলাভাষা নিয়ে কুটুক্তিকারী রমিজ রাজাকে দেখুন কি নামে ডাকা উচিত......



বাংলাভাষা নিয়ে কুটুক্তিকারী রমিজ রাজাকে কি নামে ডাকা উচিত?
স্পোর্টস ডেস্ক: রমিজ রাজা একটা ছেঁচড়া, কানকাটা, বেত্তমিজ, রাজাকার, অশিক্ষিত, গাধার বাচ্চা। এসব নাকি পাকিস্তান দলের সাবেক ব্যাটসম্যান ও বর্তমান ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজার নতুন উপাধি।
হ্যাঁ। পাকিস্তান সুপার লিগে বাংলাদেশি তারকা খেলোয়াড় তামিমের সঙ্গে বাংলাভাষা নিয়ে হাস্যকর মন্তব্য করার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে নিন্দার ঝড়।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ইন্ডিয়ার প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আদলে প্রথমবারের মত পাকিস্তান শুরু করেছে সুপার লিগ (পিএসএল)। আর এই আসরটিতে একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন রমিজ রাজা। তিনি আসরের দ্বিতীয় ম্যাচে ভুল করে সাকিবকে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ঘোষণা না করে লেন্ডন সিমন্সকে ঘোষণা করেন।
রমিজ রাজা আবারো তালগোল পাঁকালেন আসরের পঞ্চম ম্যাচে এসে। সেদিন তামিম ম্যান অব দ্য ম্যাচে ঘোষিত হোন । আর তা নিতে যখন মঞ্চে আসেন তখনই বাধে বিপত্তি। পেশোয়ার জালমির হয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও হাফসেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের তারকা উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।
পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যথারীতি সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেছেন রমিজ রাজা। পুরস্কার গ্রহণ শেষে নিয়ম অনুযায়ীই তামিম কথা বলতে আসেন। সে সময় রমিজ তাকে বলেন তিনি বাংলা বলতে পারেন না, তাই তাঁর সাথে ইংরেজিতে কথা বলবেন কিনা।
রমিজ রাজা বললেন, ‘আমি আসলে তোমার ভাষায় কথা বলতে পারিনা। এখন কি করবো? ইংলিশে কথা বলবে?’
রমিজের এরূপ ব্যবহার অস্বাভাবিকই বলা যায়। কেননা রমিজ রাজা এর আগেও তামিম এর সাথে ইংরেজিতে কথা বলেছিলেন। সেখানে তামিমের ইংরেজিও ছিল বেশ ভালো। এরপরও রমিজের তামিমকে এ প্রশ্ন করার কারণ নিয়ে চলছে সমালোচনা।
রমিজ রাজার সঙ্গে তামিমের সেই ঘটনার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে চলছে নিন্দার বন্যা। সবার একটাই কথা পাকিরা এখনো মানুষ হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘বাংলাদেশের কাছে নির্মমভাবে পরাজয় বরণ করার পরও তাদের এখনো শিক্ষা হয়নি।’
আরেক জন রমিজ রাজার এই বিষয়টির প্রতিবাদ করে লেখেন, ‘আজকে তামিম ইকবাল ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হইলো। সে তামিমকে বলে কিনা আমি তোমাদের ভাষা জানিনা, তুমি কী ভাষায় কথা বলবে? তামিম বলল ইংরেজিতে বলব।
তামিমের এত বড় আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে রমিজ কোনদিন দেখেনাই তামিম ইকবাল ইংরেজিতে কথা বলতে পারে কিনা? এমন কি কয়দিন আগে যখন পাকিস্তানরে হাতে হারিকেন ধরায় দিল তখনও দেখেনাই?
পাকিস্তানিরা একটাও ভাল মত ইংরেজিতে কথা কইতে পারেনা। যে দু একজন পারে তারমধ্যেও একটু পর পর ‘ইউ নো ইউ নো’ কইয়া ফেনা তোলে আর বাকিরা ঠিকমত উর্দুটাও পারেনা।
রমিজের সমস্যাটা আছে। এর আগেও সে অনেকবার বাংলাদেশ নিয়ে বাজে মন্তব্য করছে!
1454989387 ৩টি কারণে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে চায়না পাকিস্তান
স্পোর্টস ডেস্ক : মার্চের শুরুতেই মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আসর। কিন্তু এই আসর নিয়ে এখন মহাচিন্তায় আইসিসি।
মোড় দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে চায় না পাকিস্তান। পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড ৩টি কারণ দাঁড় করিয়েছে।
১. মুম্বাইয়ে বিসিসিআই অফিসে শিবসেনার হামলা। এই হামলার সময় বৈঠক করছিলেন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি মনোহর ও পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। হামলার পরে ভেঙে যায় বৈঠক।
২.পাকিস্তানি গায়ক গুলাম আলির কনসার্ট না হতে দেওয়া। গুলাম আলি ভারতের আমন্ত্রণে কনসার্টে সঙ্গীত পরিবেশনের জন্য রাজি হন। কিন্তু পরে সেটি হতে দেয়নি ভারত সরকার।
৩. প্রাক্তন পাক বিদেশ সচিব খুরশিদ কাসুরির বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গকেও উল্লেখ করেন পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাহরিয়ার।
প্রসঙ্গত, শিবসেনা যখন হামলা চালিয়ে দুইদেশের বৈঠক ভেঙে দেন তখন আতঙ্ক সৃষ্টি হয় ভারত সফররত দক্ষিন আফ্রিকার ক্রিকেটারদের মাঝে।
দক্ষিণ আফ্রিকার দলে থাকা পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ইমরান তাহিরকে দেয়া হয় বিশেষ নিরাপত্বা। খুবই আতঙ্কে ছিলেন তাহির।
এছাড়া ভারতীয় জঙ্গিরা ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ ভন্ডুল করার প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়। পরে নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বল মাঠে গড়ায়।
এবারের বিশ্বকাপের বিষয়ে এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তানের সরকার। পিসিবির হাতে নেই এই বিষয়টি। আইসিসিও তাকিয়ে আছে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের দিকে।

Tuesday, February 9, 2016

পথশিশুদের কাছে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য দোয়া চাইলেন টাইগাররা

1455005411

পথশিশুদের কাছে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য দোয়া চাইলেন টাইগাররা
স্পোর্টস ডেস্ক : সেমিফাইনালে জয় পেয়ে ফাইনালে যাওয়ার আগে টাইগার ক্রিকেটাররা ছুটে যান পথশিশুদের কাছে।
প্রথমবারের মত বাংলাদেশের সামনে হাতছানি দিচ্ছে বিশ্বকাপ। হাতছানি দেয়া এই বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলতে মরিয়া টাইগার বাহিনী।
অনুর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ এই লক্ষ্যে দোয়া চেয়েছেন সবার কাছে। মিরাজরা সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দেখান নতুন চমক। দেশের পথশিশুরাও যে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সেটা দেখিয়ে দিলেন তারা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছে গিয়ে দোয়া চেয়েছেন তারা।
সম্প্রতি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয় অনুর্ধ্ব-১৯ দল। আইসিসি ও ইউনিসেফের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপের জন্য টাইগাররা দোয়া চান পথশিশুদের কাছেও।

এশিয়া কাপে তামিমের পরিবর্তে মাঠ কাঁপাবেন যে টাইগার

1455011327

এশিয়া কাপে তামিমের পরিবর্তে মাঠ কাঁপাবেন যে টাইগার
স্পোর্টস ডেস্ক : যুবাদের বিশ্বকাপের পরই দেশের মাটিতে শুরু হচ্ছে এশিয়াকাপের আসর। আর মাত্র ১৩ দিন পরেই শুরু হচ্ছে এশিয়াকাপ।
তামিম ইকবাল এশিয়াকাপে খেলবেন না বলে একটি গুঞ্জন ছিল। আর এটাই এখন সত্যি হতে যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে এশিয়াপের জন্য দল ঘোষণা করে বাংলাদেশ।
দলেছিলেনতামিম ইকবাল। কিন্তু তার খেলার সম্ভাবনা রয়েছে কেবল শেষের দিকে। আর ওপেনিংয়ে তার যায়গায় দেখা যাবে ইমরুল কায়েসকে।
জাতীয় দলের কোচ হাতুরুসিংহে এমন তথ্য দিয়েছেন এক সাক্ষাৎকারে। বিসিবির নির্বাচক ফারুক আহমদও বলেছেন লংগার ভার্সনে খেলা ইমরুল কায়েসের কথা।
দলের স্ট্যান্ডবাই ক্রিকেটার হিসাবে ইমরুলকে রাখা হচ্ছে। আর তামিমের যায়গায় এই হার্টহিটারকে দেখার কথা সৌম্য সরকারের সাথে ওপেনিংয়ে মাঠ কাঁপাতে।

মুশফিকের সঙ্গে দেখা করতে চান, রয়েছে ডিনারের ব্যবস্থা?

1455011417

মুশফিকের সঙ্গে দেখা করতে চান, রয়েছে ডিনারের ব্যবস্থা?
স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। খেলার মাঠে ভালো পারফরম্যান্স ছাড়াও মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপন চিত্রে সরব উপস্থিত লক্ষ্য করা যায় দেশীয় এই খেলোয়াড়কে। তবে এবার এক কোম্পানির সুবাধে মুশফিক তার ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি ভক্ত সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে মুশফিক নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লেখেছেন, ‘আমার সাথে দেখা করতে চান? খুব শিগগিরই আমি আসছি আপনাদের সাথে দেখা করতে। সাথে থাকছে আপনাদের জন্য দারুন একটি স্পেশাল ডিনার জিতে নেবার সুবর্ণ সুযোগ। যেখানে আপনাদের সাথে দেখা করতে উপস্থিত থাকবো আমি মুশফিকুর রহিম।

Monday, February 8, 2016

বাংলাদেশের প্রশংসায় দ্রাবিড়

ব্যতিক্রমী এক দল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। এটা হয়েছে সাকিব, মুশফিক ও মুর্তজার (মাশরাফি) মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের একসঙ্গে পেয়েব্যতিক্রমী এক দল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। এটা হয়েছে সাকিব, মুশফিক ও মুর্তজার (মাশরাফি) মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের একসঙ্গে পেয়েটুর্নামেন্টের শুরু থেকে অপেক্ষা—কখন সামনে আসবেন তিনি, কখন কথা বলা যাবে তাঁর সঙ্গে? কিন্তু তাঁকে পাওয়া আর আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া যেন সমান! কারও কারও একান্ত সাক্ষাৎকারের আশাও প্রতিহত হয়ে ফিরেছে তাঁর চারপাশে থাকা অদৃশ্য দেয়ালে। তিনি কারও একার সঙ্গে কথা বলবেন না। বললে সবার সঙ্গে বলবেন।
এই তিনি হলেন রাহুল দ্রাবিড়। খেলা ছাড়ার ৪ বছর পর এই ৪৩ বছর বয়সেও এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় তারকা। হালের রংচঙা ক্রিকেট দ্রাবিড়ের সঙ্গে যায় না। ‘দ্য ওয়াল’ ক্রিকেটের শুদ্ধতার প্রতীক। তিনি যদি বলেন ক্রিকেটের এই অংশটি ভালো, সেটাকে ভালো বলাই যায়।
অথচ সেই দ্রাবিড় থেকে যাচ্ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বাংলাদেশে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আছেন। অথচ জানার উপায় ছিল না, এই দেশের ক্রিকেটের সাম্প্রতিক উত্থানকে তিনি কী চোখে দেখেন? সুযোগটা এল কাল দুপুরে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম সেমিফাইনাল-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ভারত যুবদলের অধিনায়ক ইশান কিষানের পাশের আসনটি অলংকৃত করলেন কোচ রাহুল দ্রাবিড়।
বেশির ভাগ প্রশ্নই ছিল আজকের ম্যাচ এবং যুব বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে। প্রতিটি প্রশ্নেই দ্রাবিড়ের দীর্ঘ উত্তর। শ্রীলঙ্কার যুবারা সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ হিসেবে কেমন হবে, বিশ্বকাপে খেলা আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর পারফরম্যান্স, কেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটাররা সর্বোচ্চ পর্যায়ে আরও বেশি সুযোগ করে নিতে পারছে না...ইত্যাদি। একপর্যায়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গও এল এবং দ্রাবিড় তখন প্রশংসার ঝাঁপিটাই খুলে দিলেন, ‘কয়েক বছর ধরে অসাধারণ সময় কাটাচ্ছে বাংলাদেশ দল। বিশেষ করে নিজেদের মাটিতে এবং সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তারা এখন দুর্দান্ত দল, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহই নেই। তাদের পাত্তা না দিয়ে এখন আর উপায় নেই।’
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে দ্রাবিড় মুগ্ধ, তাঁর মতো তারকার কাছেও তারকার মর্যাদা পাচ্ছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা, ‘ব্যতিক্রমী এক দল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। এটা হয়েছে সাকিব, মুশফিক ও মুর্তজার (মাশরাফি) মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের একসঙ্গে পেয়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আসলেই তারকা হয়ে উঠেছে ওরা।’ নতুনদের মধ্যে বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের কথা বলেছেন আলাদা করে, ‘মন্তব্য করার মতো যথেষ্ট খেলা আমি দেখিনি। তবে অনেকেই আমাকে মুস্তাফিজ সম্পর্কে দারুণ কিছু কথা বলেছে।’ দ্রাবিড়ের ভালো লাগে মাহমুদউল্লাহর খেলা। এ ছাড়া গত সেপ্টেম্বরে ভারত সফর করা বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দু-একজন ক্রিকেটারও তাঁর দৃষ্টি কেড়েছেন।
মাশরাফি-সাকিব-মুশফিকদের প্রশংসাই করেছেন দ্রাবিড়, ভালো দল হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। তবে দ্রাবিড় মনে করেন ‘ভালো’টা সত্যিকারের ভালো হয়ে উঠবে দেশের বাইরে ভালো করতে পারলেই, ‘ফলাফলই বলে দেয় তাদের উন্নতির গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, বিশেষ করে নিজেদের দেশে। আমি মনে করি তাদের এবং নতুন যারা উঠে আসছে, সবারই এর পরের চ্যালেঞ্জটা হওয়া উচিত এই ভালো পারফরম্যান্সটাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া।’
ভারত ‘এ’ দলের হয়ে সার্ক ক্রিকেট খেলতে দ্রাবিড় বাংলাদেশে প্রথম আসেন ১৯৯৪ সালে। ফাইনালের ৩৭ রানসহ মোট ১৩০ রান করেই হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরার, ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টও। জাতীয় দলের হয়েও বাংলাদেশ সফর করে গেছেন অনেকবার। তবে এবারের আসাটা সম্পূর্ণ ভিন্ন ভূমিকায়। দ্রাবিড় এবার কোচ, দলের অভিভাবক। তবে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলের শিরোপা জয়ের লক্ষ্য পূরণে নিজের চেয়ে খেলোয়াড়দের ভূমিকাই দেখছেন বেশি, ‘এটা খেলোয়াড়দের দল, কোচের নয়। দীর্ঘ খেলোয়াড়ি অভিজ্ঞতা থেকে আমি জানি, একজন কোচ একটা দলের নির্দিষ্ট বিষয়েই প্রভাব ফেলতে পারে। এটা খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপ এবং তাদের পারফরম্যান্সই জেতাবে অথবা হারাবে।’
খেলোয়াড়দের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্নটা করতে পারছেন বলেই তিনি রাহুল দ্রাবিড়। কখনো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ না পেয়েও একটি বিশ্বকাপে দলের কোচ।

জলে জ্বলে ‘শিলা’র আগুন

দুই হাতে দুই সোনার পদক নিয়ে আবেগাপ্লুত মাহফুজা খাতুন (শিলা)। পরশু ১০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে জিতেছেন প্রথম সোনা। কাল ৫০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে এসএ গেমসের রেকর্ড গড়ে জিতলেন দ্বিতীয় সোনা l প্রথম আলো
সারুসাজাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের জাকির হুসেন সুইমিংপুলের টাচ প্যাডটা ছুঁতেই মাইকে এল ঘোষণা। সঞ্চালকের উচ্ছ্বসিত উচ্চারণ, ‘এবারের গেমসে রেকর্ড গড়ে সাঁতারে সোনা জিতলেন বাংলাদেশের মাহফুজা খাতুন।’
বাবা শখ করে নাম রেখেছিলেন শিলা। কঠিন শিলার মতোই যেন ভেতরে জমানো ছিল আগুন। বারবার ফেডারেশনের বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। ক্ষোভের পাথরে ঘষা লেগে সেটি এবারের দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে এমনভাবেই জ্বলে উঠল যে সেই আলোয় আলোকিত সারা বাংলাদেশ।
সাঁতারে মেয়েদের ৫০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে কাল এসএ গেমসের রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন মাহফুজা। তিনি সময় নেন ৩৪.৮৮ সেকেন্ড। নিজের প্রিয়তম ইভেন্টের ফাইনালে সাঁতরানোর আগে হিটে সময় নেন আরও কম—৩৪.৬৬ সেকেন্ড! নিশ্চিত সোনা জয়ের স্বপ্নে বিভোর মাহফুজা ফাইনালে মাত্র সেকেন্ডের এক-পঞ্চমাংশ বেশি সময় নিয়েছেন। কারণ, ‘নার্ভাস লাগছিল খুব!’ কিন্তু এতেও মাহফুজা ভেঙেছেন দক্ষিণ এশিয়ার ১০ বছরের পুরোনো রেকর্ড। ২০০৬ শ্রীলঙ্কা গেমসে এই ইভেন্টে ৩৪.৯৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে সোনা জেতেন শ্রীলঙ্কার রাহিম মায়ুমি।
গত পরশু ১০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে প্রথম সোনা জিতেই বাংলাদেশের সাঁতারে ইতিহাস গড়েছিলেন মাহফুজা—গেমসে সোনাজয়ী বাংলাদেশের প্রথম নারী সাঁতারু তিনি। কাল টানা দ্বিতীয় সোনা জিতে নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য উচ্চতায়। গত এসএ গেমসে সাঁতারে ৭টি রুপা ও ৮টি ব্রোঞ্জ পদকের মধ্যে ১০০ ও ৫০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে রুপা জিতেছিলেন। ঘরোয়া টুর্নামেন্টেও সাফল্য পেয়ে আসছিলেন নিয়মিত। গোপালগঞ্জে হওয়া সর্বশেষ জাতীয় সাঁতারে এসএ গেমসের রেকর্ড টাইমিং টপকেছিলেন। তারপরও তাঁকে বাদ দিয়ে অলিম্পিকে পাঠানো হয় অন্যদের। বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণে গেছেন তাঁরই সতীর্থরা। মাহফুজা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখতেন। আর হয়তো আক্ষেপ করতেন, ‘আর কত বড় হব দাদাঠাকুর...?’
এবারের গেমসের আগেও অনেক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘শিলা তো বুড়িয়ে গেছে। ওকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না’, তাচ্ছিল্যভরে মাহফুজাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলেছেন, ‘এবার তো ওকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভারতে নিয়ে আসা হয়েছে।’ টাইমিংয়ের উন্নতিকে কখনোই মানদণ্ড ধরেনি ফেডারেশন, শুধু জাতীয় সাঁতারে সর্বাধিক সোনা জিতলে তাঁকেই বিদেশে পাঠানো হতো। হতাশায় সাঁতারটা একসময় ছেড়েই দিতে চেয়েছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতার ছাত্রী। সব ছেড়ে পড়াশোনায় মন দিতে চলে গিয়েছিলেন চট্টগ্রামে। গেমসের প্রাথমিক অনুশীলন ক্যাম্পেও তাঁর জায়গা হয়নি! কোরিয়ান কোচ পার্ক তে গুন এসে অবশ্য প্রথমেই খুঁজেছেন মাহফুজাকে। ক্যাম্পে তাঁকে না পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে ডেকে নিয়ে আসেন। যশোরের নওয়াপাড়ার মেয়েটি ফেডারেশনের এমন বৈষম্য আর উপেক্ষার জবাব দিলেন সাঁতারপুলের নীল জলে নেমে। মাহফুজার হাতে ধরা সোনার পদকের ঔজ্জ্বল্যে মিশছিল যেন তাঁর চোখের আগুন, ‘কোচ পার্ক আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছেন। উনি না থাকলে হয়তো আমি এখানে আসতেই পারতাম না। আর সাপোর্ট পেয়েছি নৌবাহিনীর। বৈষম্যের কারণে সুইমিংজগৎ থেকে চলেই গিয়েছিলাম। কিন্তু পার্ক এসে বুঝিয়েছেন, তোমাকে দিয়েই কিছু হবে। বলেছেন, তুমি ফেডারেশনের কথা না ভেবে দেশের কথা ভাবো। তাই আমি দেশের জন্য সাঁতরেছি।’ এখন তাঁর বুকের জ্বালাটাও একটু জুড়াল, ‘যারা বলেছিল আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, তাদের মনে হয় একটা পাল্টা জবাব দিতে পেরেছি।’
মাহফুজাকে ‘আবিষ্কার’ করেন সাঁতার দলের বর্তমান ম্যানেজার আবদুল মান্নান। শিশু একাডেমিতে অ্যাথলেটিকস ও সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছোট্ট মাহফুজার প্রতিভার কথা শুনেছিলেন একজন ফুটবল রেফারির কাছে। কিন্তু মাহফুজার ঠিকানা তাঁর জানা ছিল না। প্রায় চার মাস ধরে গোটা যশোরে তন্ন তন্ন করে খুঁজে পেয়ে নিজের বাড়িতেই রাখেন তাঁকে। পরে অনুশীলন করান যশোরের ডলফিন সুইমিং ক্লাবে। মান্নান চাকরি করতেন খুলনায়। এ জন্য কখনো যশোরের শিশু এতিমখানাতেও থাকতে হয়েছে মাহফুজাকে। পরে ঢাকায় শিশু একাডেমি ও আন্তজেলা মহিলা সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন হওয়া মাহফুজাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ পান ২০০৩ সালে। কাল সোনা জয়ের পর মাহফুজার মতোই আনন্দে আত্মহারা আবদুল মান্নান, ‘আজ আমার চেয়ে সুখী আর কেউ নেই।’
ঘরে-বাইরে সবখানে লড়াই করতে হচ্ছে মেয়েদের। তবু সব প্রতিকূলতা জয় করে যে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেটির সবচেয়ে বড় উদাহরণ মাহফুজা।
দক্ষিণ এশিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে মাহফুজার চোখে এখন অলিম্পিকের স্বপ্ন, ‘আমি এবার অলিম্পিকে খেলতে চাই।’
সেই স্বপ্ন পূরণের পথে ফেডারেশন কি আবারও বিছিয়ে দেবে অদৃশ্য কোনো কাঁটা!

ধোনির বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ



মহেন্দ্র সিং ধোনি
স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে আইপিএল থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। সন্দেহের আঙুলটা মহেন্দ্র সিং ধোনির দিকেও উঠেছিল, কিন্তু সরাসরি ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলার সাহস তখন কেউ করেনি। তবে এবার ধোনির বিরুদ্ধে উঠল আরও বড় অভিযোগ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই নাকি ম্যাচ পাতিয়েছেন ‘ক্যাপ্টেন কুল’!
২০১৪ ইংল্যান্ড সফরের ভারতীয় দলের ম্যানেজার ছিলেন সুনীল দেব। ওই সফরের ওল্ড ট্রাফোর্ডের টেস্টটি নিয়ে তিনিই প্রশ্ন তুলেছেন। দিল্লির দৈনিক সান স্টার-এর কাছে তাঁর দাবি, তিনি শতভাগ নিশ্চিত যে ওই ম্যাচের ফল নির্ধারণে অন্য রকম ‘ভূমিকা’ ছিল ভারত অধিনায়কের। ম্যাচ শুরুর আগে মেঘলা আবহাওয়া, বৃষ্টি ও পেসবান্ধব উইকেট দেখে সেদিন সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে টসে জিতলে বোলিং নেবে ভারত। কিন্তু মাঠে নেমে সবাইকে অবাক করে ব্যাটিং নেন ধোনি। ফলটা হলো এই, মাত্র ৪৬.৪ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট ভারত। ইনিংস ও ৫৪ রানে হেরে যায় ধোনির দল।
সুনীল দেবের দাবি, শুধু ওল্ড ট্রাফোর্ডের ম্যাচেই নয়, ওই সফরের বেশ কিছু ম্যাচেই এমন রহস্যময় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ধোনি। তিনি নাকি তাঁর সন্দেহের কথা সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে (বিসিসিআই)। তৎকালীন বোর্ড সভাপতি এন শ্রীনিবাসন বিষয়টি জানানোর জন্য ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে ধন্যবাদও দেন, কিন্তু বোর্ড এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
হঠাৎ করে কেন এ তথ্য জানানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন সুনীল? এত দিন কেন মুখ খোলেননি? সুনীলের যুক্তি, ‘তখন কেউ আমার কথা বিশ্বাস করত না। আর আমি প্রাণের ভয়েই কথাগুলো আগে বলিনি।’
তবে আইপিএলের স্পট ফিক্সিং নিয়ে কাজ করা বিচারক মুকুল মুডগাল সুনীলের এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, সঠিক প্রমাণ না থাকলে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তোলা সম্ভব নয়। মজার ব্যাপার, সুনীল বর্তমানে দিল্লি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সচিব। তাই সান স্টার-এর প্রতিবেদকের কাছে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তোলার পর আবার সতর্ক করে দিয়েছেন, যদি বিষয়টি তাঁর পক্ষে না আসে তাহলে তিনি বোর্ডের পক্ষেই থাকবেন! টাইমস অব ইন্ডিয়া।

Friday, February 5, 2016

যেসব গ্রেট টাইগারকে বিশ্বকাপ দলে নেয়নি বিসিবি


যেসব গ্রেট টাইগারকে বিশ্বকাপ দলে নেয়নি বিসিবি

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ একই সাথে এশিয়াকাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
যারা বাংলাদেশের ক্রিকেটের তাজা প্রাণ, দেশের ক্রিকেটের জন্য রেখেছেন অবদান এমন অনেক ক্রিকেটারকে দলে নেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
গত বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করা রুবেল হোসেনকে দলে নেয়নি বিসিবি। সদ্য শেষ হওয়া বিপিএল দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ও দেশের পারফেক্ট ওপেনার ইমরুল কায়েসকে দলে নেয়া হয়নি।
বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে দারুণ ক্রিকেট উপহার দেয়া আলোক কাপালি ও শাহরিয়ার নাফিসকেও উপেক্ষিতই রেখেছে ক্রিকেট বোর্ড।
যুবায়ের, বিজয়, তাইজুল, সোহাগ গাজী ও আবদুর রাজ্জাকের মত তারকা নেই মাশরাফির বিশ্বকাপ দলে। এর আগে বিসিবি ঘোষিত প্রাথমিক ২৫ সদস্যর দলের বাইরে ছিলেন নাসির হোসেন।
তাকে দলে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। অন্যদিকে বারবার বাজে পারফর্ম করা লিটন দাসকে যৌক্তিক কারণেই দলের বাইরে রেখেছে বিসিবি।

বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য; যেটার মূল নায়ক মাশরাফি!


বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে গোপন ছিল। কেউ জানত না এটি। এবার বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঘটনার মূল নায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
বিশ্বকাপের পর দক্ষিণ আফ্রিকা যখন বাংলাদেশ সফর করে তখনকার ঘটনা এটি। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বিচলিত ছিলেন একটি সিদ্ধান্ত নিতে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের ওয়ানডে ম্যাচ চলার সময়ের ঘটনা এটি। ওয়ানডে ম্যাচের আগে দুটি টি-টোয়েন্টিতে জয় পায় বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতেও হেরে যায় বাংলাদেশ।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচের একাদশ সাজানো নিয়ে চিন্তায় ছিলেন বিসিবি সভাপতি পাপন। দশ জন ক্রিকেটারের নাম চূড়ান্ত করেন বিসিবি সভাপতি। এক জনকে নিয়ে ছিল ঝামেলা। ৩ জনের মধ্যে থেকে যে কোনো একজনকে বাছাই করার বিষয়টি হাজির হয়। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাশরাফিও উদ্বিগ্ন ছিলেন।
তখন খেলোয়াড়দের মনোবল ভেঙে গেছে বলে মনে করেন মাশরাফি। এই জটিলতায় মাশরাফি নাকি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন বলে দাবি করেছে ওই পত্রিকা।
পরে বিসিবি লিটন দাসের পরিবর্তে এনামুল হক বিজয়কে একাদশে নেয়। বিসিবি সভাপতি পাপন ও ক্রিকেটারদের দৃঢ়তা ফের চাঙ্গা করে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। আর দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেলে ফের জয়ের মানসিকতায় ফিরে আসে বাংলাদেশ। পরে ঠিকই সিরিজ জেতে বাংলাদেশ।